Vertigo/মাথা ঘোরা


মাথা আমাদের অনেক সময় হঠাৎ করে ঘুরে যেতে দেখা যায়। কখনো বাজারে যেতে যেতে মাথা ঘুরে যাওয়া, কখনো মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া। আবার অনেক সময় আমরা দেখি শুয়ে থেকে উঠতে গেলে হঠাৎ করে মাথা ঘুরে গেল বা বসে থেকে উঠতে গিয়ে মাথা ঘুরে গেল। সাধারনত মাথা ঘোরা মধ্য বয়স থেকে খুবই বেশি দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে আমরা খুবই ভয় পেয়ে যায় এবং কোথায় যাবো তাও অনেক সময় বুঝে উঠতে পারিনা।অনেক সময় দেখা গেছে ঘাড়ের অসুবিধায় যেখানে সাধারণ কিছু ভঙ্গি মেনে চললেই ঠিক হয়ে যায় কিন্তু তা না করে মাথা ঘোরা কমানোর ওষুধ খেয়ে যেতে থাকি। সুতরাং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কি কারনে মাথা ঘুরছে সেই কারণটি বার করে চিকিৎসা করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।


কারণ:-
  • খুবই সাধারণ ঘটনা হলো ঘাড়ের অসুবিধা থেকে মাথা ঘোরা। এই অবস্থা কে বলা হয় সারভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস। অনেকেই এত বড় নাম শুনে ভয় পেয়ে যান, কিন্তু তাদের মনে রাখতে হবে এটি একটি নাম মাত্র। ঘাড়ের কিছু কিছু পরিবর্তন হয়, যা প্রথম দিক থেকেইএক্সারসাইজ এর মধ্যে থাকলে সুস্থ থাকা সম্ভব যার ফলে ভবিষ্যতে এই অসুবিধা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

  • অনেক সময় মাথা ঘোরার মূল কারণ হয়ে ওঠে কম ব্লাড প্রেসার।

  • দুর্বলতা।

  • চিন্তাভাবনা

  • কানের অসুবিধা, অনেক সময় কানের অসুবিধার জন্য মাথা ঘুরতে দেখা যায়।


লক্ষণ:-
  • ব্লাড প্রেসার কম থাকলে বসে থেকে উঠতে গেলে মাথা ঘুরে যায়। এই জন্যই ব্লাড প্রেসার চেকআপ করা প্রয়োজন মাঝে মাঝে।

  • মাথা ঘোরাতে গেলে অনেক সময় মাথা ঘুরে যায়

  • বিছানা থেকে পাশ ফিরতে গেলে মাথা ঘুরে যায়

  • হাতে কিছু ভারী বস্তু উঠালে মাথা ঘোরা শুরু হওয়া।

  • ব্লাড প্রেসার ঠিক থাকা সত্ত্বেও যদি মাথা ঘোরে তাহলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঘাড়ের অসুবিধার জন্য হয়।

  • অনেক সময় মাথা ঘোরার সাথে সাথে বমি বমি ভাব মনে হয়।

কি করনীয়? :-

  • হঠাৎ করে মাথা ঘুরে গেলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে।

  • ব্লাড প্রেসার চেক করাতে হবে।

  • এই অবস্থায় ঘাড়ের এক্সরে খুবই প্রয়োজন।

  • চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।



স্ট্যাটিক নেক এক্সারসাইজ – ঘাড়ের সমস্যার জন্যে মাথা ঘুরলে নিচের এক্সারসাইজ গুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

·




চোখের মণির/আইবল মুভমেন্ট এক্সারসাইজ – রক্ত চাপ ও ঘাড়ের সমস্যা না থাকলে ভেস্টিবুলেরএপারেটাস নামেএকটাঅংশআছে কানের ভিতরে , এই অংশের অসুবিধা হলেও মাথা ঘোড়ার সমস্যা দেখা যায়।এই পরিস্থতিতে চোখের এক্সারসাইজ খুবই সাহায্য করে।



ব্যালেন্সিং এক্সারসাইজ:

  • সুইস বল এ বসা

  • এক পায়ে দাঁড়ানো

  • পায়ের আঙুলের সাহায্যে শরীরকে উপরে ওঠানো ও নামানো

  • হাতে সাপোর্ট নিয়ে সাইড হয়ে/পাসফিরে হাঁটা চলা

  • হাতে একটি বল নিয়ে কিছুটা উপরে ছোঁড়া ও আবার ধরা এভাবে 10 বার মত করেযেতে হবে

  • একটা সোজা দাগ টেনে দাগের ওপর দিয়ে হেঁটে চলা , এই সময় অবশ্যই বাড়ির কারোর সহযোগিতা নিতে হবে না হলে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।






তবে এই সমস্ত এক্সারসাইজ করার সাথে সাথে মাথায় রাখতে হবে একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট আপনাকে সর্বদা সঠিক পরামর্শ দেবে, তাই চেষ্টা করুন এই পদ্ধতি গুলো একজন ভালো ফিজিওথেরাপিস্ট এর তত্ত্বাবধানে করতে
575 views2 comments