top of page

স্ট্রেস কন্ট্রোল ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার উপায়

মানসিক স্বাস্থ্য কি?


মানসিক স্বাস্থ্যে বলতে বোঝায় আমাদের ইমোশনাল, সাইকোলজিকাল এবং সামাজিক সুস্থতা। আমরা কিভাবে জীবনকে মোকাবিলা করি, কিভাবে চিন্তা করি, কিভাবে অনুভব করি এবং কিভাবে স্ট্রেস কাটিয়ে নিজেদের কাজ করি সেই ব্যাপার কে প্রভাবিত করে মানসিক স্বাস্থ্য। কৈশোর - প্রাপ্তবয়স্কতা এবং বার্ধক্যে, জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্য গুরুত্বপূর্ণ।





মানসিক স্বাস্থ্য কেন গুরুত্বপূর্ণ? মানসিক স্বাস্থ্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি আমাদের সাহায্য করে:


  • সবার সাথে ভালো সম্পর্ক রাখতে।

  • জীবনের চাপ মোকাবিলা করতে।

  • শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকতে।

  • দক্ষ ভাবে নিজের কাজগুলি করতে।

  • নিজেকে শারীরিক এবং মানসিক, উভয় দিক থেকে শক্তিশালী করতে।



এই মানসিক স্বাস্থ্যকে কিভাবে আমরা সুস্থ রাখবো এবং কিভাবে যত্ন নেবো এই বিষয়েই আজ আলোকপাত করা যাক।



  • এক কাপ কফি দিয়ে দিন শুরু করতে হবে। মানসিক ডিপ্রেশন কমানোর ক্ষেত্রে কফির যথেষ্ট ভূমিকা আছে। যাঁরা ক্যাফিনের কারণে কফি পান করতে পারেন না, তারা গ্রিন টির মতো আরেকটি ভালো পানীয় দিয়ে দিন শুরু করতে পারেন।


  • যে কাজে আপনি পারদর্শী এবং দক্ষ সেই কাজ দিয়ে দিনের শুরু করতে হবে। তাতে নিজের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায়। এরপর নিজের কঠিন থেকে কঠিনতর কাজ গুলো অনায়াশেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব।


  • হাসি উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে তাই নিজের হাসির জন্যে সময় বের করতে হবে। হাসিখুশি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া, কমেডি ভিডিও/ সিনেমা দেখা বা অনলাইনে সুন্দর ভিডিও দেখা মনকে ভিতর থেকে হাসিয়ে তোলে।


  • প্রকৃতির মধ্যে ৩০ মিনিট হাঁটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই লাভজনক। এটি একটি পার্কের মধ্য দিয়ে হেঁটে যাওয়া বা জঙ্গলে ভ্রমণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রকৃতিতে থাকলে আমাদের মানসিক শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি হতে পারে, বিষণ্নতা কমতে পারে এবং সুস্থতা বৃদ্ধি হতে পারে।


  • রান্নার নতুন নতুন রেসিপি বানানোর চেষ্টা করা, কবিতা লেখা, ছবি আঁকা আমাদের স্ট্রেস লেভেল কমায়। সৃজনশীল অভিব্যক্তি এবং সামগ্রিক কল্যাণ পরস্পর সংযুক্ত।


  • নিজের বাড়ির কাজ করতে করতে সময় নাচ করা খুব ভালো। এতে শুধু কাজগুলি ভালোভাবে সম্পন্ন হবে তা নয়, নাচ কর্টিসলের মাত্রা কমায় (স্ট্রেস হরমোন), এবং এন্ডোরফিন বাড়ায় (শরীরের "Feel Good" Hormone)।


  • সপ্তাহে একবার গরম জলের স্নানে বিশ্রাম নেওয়া খুবই উপকারী। ব্যথা এবং যন্ত্রণা প্রশমিত করার জন্য Epsom Salts ব্যাবহার করার চেষ্টা করতে হবে কারণ এটা শরীরের ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা অনেকসময়ই মানসিক চাপের কারণে হ্রাস পায়।


  • কিছু অজানা চিন্তা আমাদের বিরক্ত করে থাকে অনেক সময়ই। কাগজে কলমে সেগুলো শেষ করা যায়। বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা বা চিন্তার সম্পর্কে লেখা হলে সেটা হতাশার লক্ষণগুলি কমাতে পারে।


  • ডায়েটে কিছু Omega-3 Fatty Acid ব্যবহার করা ভালো। এগুলি বিষণ্নতা এবং সিজোফ্রেনিয়ার হার কমিয়ে ফেলে।


  • সানস্ক্রিম ব্যাবহার করে অন্তত ১৫ মিনিটের রোদ উপভোগ করা খুব ভালো আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে। সূর্যের আলো ভিটামিন ডি সংশ্লেষ করে, যা বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে এটা মন মেজাজ ভালো রাখতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।



সবশেষে বলা যায় যে আমাদের নিজেদেরকে যদি জীবনে সুস্থ , কর্মক্ষম এবং আনন্দিত থাকতে হয় তাহলে আমাদের প্রত্যেককে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া উচিত। কথাতেই আছে -


“Mental Health Is Just As Important As Physical Health And Deserves The Same Quality Of Support.”
80 views0 comments

Comentários


  • Instagram
  • Facebook
  • LinkedIn
  • YouTube
bottom of page